রিমান্ডে চোখ বেঁধে জামায়াতকে নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়েছে: আখতারুজ্জামান
বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, দুপুর ১১:৪৩
রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান জানান, তার চোখ বেঁধে জামায়াতে ইসলামীর বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়েছে।
তিনি ক্ষোভ ঝেড়ে বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম, নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে পুলিশ কেন জানতে চাইবে? বাংলাদেশের আইন পুলিশকে এমন এখতিয়ার দেয়নি।’
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান বলেন, জনগণের পক্ষে, ন্যায় ও সত্যের পক্ষে এবং ইসলামের পক্ষে কথা বলার সাহস মহান আল্লাহ তাকে দিয়েছেন। বিমানবন্দরে প্রবাসীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, অব্যবস্থাপনা ও হয়রানির প্রতিবাদ করায় আমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু আমার প্রশ্ন, একটি রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও জিজ্ঞাসাবাদ করার এখতিয়ার পুলিশকে কে দিয়েছে?
তিনি বলেন, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, অব্যবস্থাপনা ও হয়রানির প্রতিবাদ করেছিলাম। এজন্য আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার করা হয় এবং জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারের আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে আমার কথা হয়। আমি তাদের স্পষ্টভাবে বলি, আমাকে গ্রেপ্তার করতে হলে আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেখাতে হবে। কারণ আমি কোনো অন্যায় করিনি এবং আইনগত প্রক্রিয়ার বাইরে কোনো কিছু মেনে নেব না। একপর্যায়ে আমাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। গ্রেপ্তারে বিষয়ে আমার কোনো আপত্তি নেই; কিন্তু আমার প্রশ্ন, আমাকে রিমান্ডে নেওয়া হলো কেন?
আখতারুজ্জামান বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা পুলিশের দায়িত্ব নয়। কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে পুলিশ অবশ্যই তদন্ত করবে এবং অপরাধের তথ্য উদ্ঘাটন করবে। কিন্তু রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনুসন্ধানের নামে জিজ্ঞাসাবাদ গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এমএসি/আরএইচ